কিভাবে চা পাতা তৈরী হয় ?


 

কিভাবে চা পাতা তৈরী হয় ?


প্রথমে চা পাতা থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা অপসারণ করা হয়, এই প্রক্রিয়াটিকে শুকিয়ে যাওয়া বলা হয়। পাতাগুলি একটি তারের জালের উপর রাখা হয় এবং ১৮-২০ ঘন্টার জন্য শুকানোর জন্য রেখে দেওয়া হয়। এটি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি বা "প্রাকৃতিক শুকিয়ে যাওয়া"।


শুকনো চা কোঁকড়ানোর জন্য প্রস্তুত। একটি রোলার ড্রামে চা ক্রমাগত চাপা এবং ঘোরানো হয়। এই অপারেশনের উদ্দেশ্য হল আণবিক স্তরে চা পাতার কোষগুলিকে বিকৃত করা যাতে ক্যাটিচিন যৌগ এবং এনজাইমগুলি মুক্তি পায় যা পরে চাকে এর অনন্য স্বাদ দেবে।


চা পাতার কুঁচকানো অংশগুলিকে তারপর একটি বিশেষ মেশিনে খাওয়ানো হয় যা একই সাথে পিষে এবং সিফ্ট করে – এইভাবে চা ঠান্ডা এবং বায়ুচলাচল করা হয়।


তারপরে গাঁজন নামক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলির মধ্যে একটি আসে। নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন সরবরাহ সহ এলাকায় টেবিল বা গ্রিডে চা রাখা হয়। এই প্রক্রিয়াটি চায়ের স্বাদ এবং গন্ধ তৈরি করে।


পরে চা শুকানো হয় যাতে এটি দীর্ঘমেয়াদী স্টোরেজের সময় এর গুণমান রক্ষা করতে পারে: চা খুব গরম বাতাসের সাথে একটি শুকানোর চেম্বারে রাখা হয় এবং তারপরে দ্রুত ঠান্ডা হয়।

শুকনো চা স্পন্দিত চালনিতে বাছাই করা হয় যাতে বিভিন্ন ব্যাসের জাল থাকে যা একই আকার এবং আকারের চা পাতাকে আলাদা করে।



 চা পাতা কি ভাবে বিক্রি হয় ।


তারপর চা প্যাক করে চা নিলামে পাঠানো হয়। বিশ্বে প্রায় দশটি বড় চা নিলাম রয়েছে। বৃহত্তম কোচিন এবং কলকাতা (ভারত), কলম্বো (শ্রীলঙ্কা), জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া), মোম্বাসা (কেনিয়া), চট্টগ্রাম (বাংলাদেশ)।



অনলাইন টি লাইসেন্সিং সিস্টেম

বাংলাদেশ সরকার চা ব্যাবসাকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে নতুন অনলাইন টি লাইসেন্সিং  


সিস্টেম চালু করেছে । এখন যে কেউ চাইলেই চা ব্যাবসায়ের সমস্ত লাইসেন্স অনলাইনে করে ফেলতে পারেন কোন এজেন্ট বা ব্রোকার ছাড়া ।


চা লাইসেন্স অনলাইনের সমস্ত ফর্ম পেতে ক্লিক করুন ।





‘ক্যামিলিয়া খোলা আকাশ স্কুল‘


চায়ের বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া। এই ক্যামিলিয়া নামেই চা চাষিদের জন্য খোলা হয়েছে ‘ক্যামিলিয়া খোলা আকাশ স্কুল‘। এই স্কুলে উত্তরবঙ্গের ক্ষুদ্র চা চাষিরা চায়ের গুণগত মান উন্নয়ন এবং চা চাষের নানা পদ্ধতির ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। অক্টোবর মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের অধীনে প্রতিসপ্তাহে বিভিন্ন গ্রামের চা বাগানের আশে পাশে খোলা মাঠে হাতে কলমে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পঞ্চগড় চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলামের পরিকল্পনায় উত্তরবঙ্গের চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিসপ্তাহে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় চা বাগানের কাছাকাছি জায়গায় এই স্কুল পরিচালিত হচ্ছে।


বাংলাদেশের প্রথম অর্গানিক চা বাগান ।


পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ২০০০ সালে প্রথম অর্গানিক চায়ের আবাদ শুরু করে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট। চা–পাতা তোলা ও চায়ের উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে। কৃত্রিম সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করেই চায়ের আবাদ হচ্ছে এই বাগানে। অর্গানিক চা উৎপাদনের জন্য শুরু থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে জৈব সার এবং ভেষজ ও ঔষধি পাতার মিশ্রণে তৈরি বায়োপেস্টিসাইড।


কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট উৎপাদিত চা যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি দপ্তর (ইউএসডিএ), দেশটির খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন দপ্তরের (এফডিএ) খাদ্যের মান দেখভালকারী প্রতিষ্ঠান হ্যাজার্ড অ্যানালাইসিস ক্রিটিক্যাল কন্ট্রোল পয়েন্টের (এইচএসিসিপি) কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের স্বীকৃতি হিসেবে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন রেইনফরেস্ট অ্যালায়েন্সের বিশেষ সনদ পেয়েছে এ প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ইউরোপীয় অর্গানিক স্ট্যান্ডার্ড এবং জাপানিজ অ্যাগ্রিকালচার স্ট্যান্ডার্ডের আটটি আন্তর্জাতিক সনদ পেয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।



রাশিয়ান চা ও কফির বাজার

“Orimi” একটি গ্রুপ কম্পানি, যারা রাশিয়ান গরম পানিও বাজার কে সদায় তাজা রাখে । ওরিমি- কাজ করে সেরা চা এর ব্রান্ডগুলিকে নিয়ে । চা ও কফি নিয়ে বেশি করে জানতে তাদের ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা যায় ।



*

إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم